Dhaka University Mass Communication and Journalism Department News Portal

জলাবদ্ধতার দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা, চলছে বছরের পর বছর

শারাবান, সুমাইয়া, অনাবিল

ডিইউএমসিজেনিউজ.কম

প্রকাশিত : ০৩:১৭ পিএম, ২৬ আগস্ট ২০১৯ সোমবার | আপডেট: ০৩:১৮ পিএম, ২৬ আগস্ট ২০১৯ সোমবার

কলা ভবনের একটি গেইটের সামনে বৃষ্টির পানি সরে যা্ওয়ার পরের অবস্থা, ছবি: শারাবান তাহুরা আলি

কলা ভবনের একটি গেইটের সামনে বৃষ্টির পানি সরে যা্ওয়ার পরের অবস্থা, ছবি: শারাবান তাহুরা আলি

এক পশলা বৃষ্টি হলেই ২-৩ ঘন্টার জলাবদ্ধতায়দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের শিক্ষার্থীরা। আষাঢ়ের মাঝারিবর্ষণে কলাভবনের সামনেরপ্রত্যেকটি প্রবেশপথ, মলচত্বর এবং ক্যাম্পাস শ্যাডোতে পানি জমছে। এতে সবচেয়ে অসুবিধায় পড়ছে শিক্ষার্থীরা। নোংরা পানিতে পা না ডুবিয়ে কলাভবনে ঢুকতে বা বের হতে পারছে না তারা। 

ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি হলেঅনেকটা পানিবন্দীই হয়ে পড়ে কলাভবন।এছাড়াও বৃষ্টি পরবর্তী সময়েক্যাম্পাসজুড়ে বিভিন্ন স্থানের জমাটবদ্ধ পানি ও কাদায় শিক্ষার্থীদের বিড়ম্বনার শেষ নেই চলাচলে।ক্যাম্পাসের মল চত্বরে আধহাত পানিতে ডুবে থাকে সব গাছ, সেই সাথে চলাচলের রাস্তাও।

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিফা ফারহাত বলেন, "ক্লাসের আগে বৃষ্টি হলে কাদা পানি পার হয়ে ক্লাসে যেতে হয়, ঠান্ডা লেগে অসুখ বাধে প্রায়ই।“

ডাকসু নির্বাচনের প্রচারণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাসবলেছিলেন,প্রতিবছর বর্ষাতেই এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও প্রশাসনের এদিকে নজর নেই।

গত বছর ছাত্রলীগের উদ্যোগে কলাভবনের মূল ফটকের সংলগ্ন ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ থেকে ফলপ্রসু কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় নি। ফলাফল হিসেবে প্রত্যেক বর্ষাকালেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের স্থানগুলো আধ হাত পানির নিচে ডুবে থাকছে।

জলাবদ্ধতার বিষয়ে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নূর বলেন, তারা জলাবদ্ধতা বিষয়ে চিন্তাভাবনা করেছেন, কিন্তু বিষয়টি সিটি করপোরেশনের অধীন হওয়ায় তারাই পারে সমাধান দিতে।

গ্রীষ্মের দাবদাহের পর বর্ষা ক্যাম্পাসেও প্রশান্তি আনে, তবে পানি-নিষ্কাষণের অব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয় দুর্ভোগ। মলচত্বরের বৃষ্টিভেজা কৃষ্ণচূড়ার স্থিরচিত্রসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অধিকাংশের জন্য নান্দনিক বিষয়বস্তু হয়ে উঠলেও এসবের ভিড়ে আড়ালে থেকে যাচ্ছে বর্ষা ব্যবস্থাপনাগত অবহেলায় শিক্ষার্থীদের বাৎসরিক বিড়ম্বনা।