Dhaka University Mass Communication and Journalism Department News Portal

ঢাবি’র সকল শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত

তন্ময় সাহা জয়

ডিইউএমসিজেনিউজ.কম

প্রকাশিত : ০৪:০৭ পিএম, ৩ জুন ২০২০ বুধবার

ঢাবি’র সকল শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত

ঢাবি’র সকল শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত

০২ জুন ২০২০ মঙ্গলবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সেমিনার রুমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ডিনস কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্যবীমার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ন্যূনতম প্রিমিয়ামে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে সভাপতি করে ৬-সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা হলেন- বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ আব্দুল মঈন, চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার নবী, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ এবং ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসিনা শেখ।

উল্লেখ্য, বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্যবীমায় অংশগ্রহণ করতে হয়। অধিকন্তু এসডিজি অর্জন ও বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাংকিংয়ের উন্নয়নে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতন, দায়িত্ববোধ সম্পন্ন ভাল গ্র্যাজুয়েট ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে এই স্বাস্থ্যবীমা সহায়তা করবে।

এছাড়াও সভায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং শিক্ষা কারিকুলাম উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১৭টি গোল ও ১৬৯টি টার্গেটের কোন কোনটি কোন বিভাগ/ইনস্টিটিউট কিভাবে অর্জন করবে তার একটি ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এই ডাটাবেজ প্রণয়নে অনুষদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ডিন এবং ইনস্টিটিউটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরিচালক সমন্বয় করবেন। আগামী ৩০ জুন ২০২০ এর মধ্যে রেজিস্ট্রারের দফতরে এই ডাটাবেজ জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

গত ২৬ নভেম্বর ২০১৯ তারিখের ডিনস কমিটির সভায় এসডিজিকে বিবেচনায় নিয়ে কারিকুলাম উন্নয়নের অনুরোধ করা হয়েছিল। এখনো যারা সে নিরিখে কারিকুলাম উন্নয়ন করেননি তাদেরকে কারিকুলাম উন্নয়নের জন্য কাজ করতে করা হয়। 

এর পাশাপাশি, করোনা ভাইরাস (COVID-19 Pandemic) উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার জন্য নানাবিধ বিষয়ে আলোচনা শেষে বাস্তবতার নিরিখে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে অনুরোধ জানানো হয়। এজন্য প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো ও সুযোগ সুবিধা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান (বিভাগ/ইনস্টিটিউট) এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কি কি চাহিদা/ঘাটতি রয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে নিরূপন করে সংশ্লিষ্ট ডিন/পরিচালকের মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের কাছে প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। এই চাহিদা নির্ধারণ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ডিন/পরিচালক সমন্বয় করবেন। উল্লেখ্য, যাদের যে সীমিত সামর্থ্য আছে তা দিয়ে সম্ভাব্য ক্ষেত্রে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করলেই প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ঘাটতি/চাহিদা চিহ্নিত ও নিরূপন করা দ্রুত ও সহজ হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান ও শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ উন্নয়ন এবং অধিকতর দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামর্থ্য, বিভাগ/ ইনস্টিটিউটের সক্ষমতা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনা করে শিক্ষার্থী ভর্তির আসন সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। এতদ্ববিষয়ে অনুষদের সুপারিশসহ যাবতীয় তথ্যাবলি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণের জন্য ডিন/পরিচালকবৃন্দকে অনুরোধ জানানো হয়।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণ করে এই সভার আয়োজন করা হয়।

/DU_PR