Dhaka University Mass Communication and Journalism Department News Portal

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু, এবার আসন ৭১২৮

আফসানা আলম

ডিইউএমসিজেনিউজ.কম

প্রকাশিত : ১২:৪০ পিএম, ১ আগস্ট ২০১৮ বুধবার | আপডেট: ০৩:১৮ পিএম, ২ আগস্ট ২০১৮ বৃহস্পতিবার

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু, এবার আসন ৭১২৮

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু, এবার আসন ৭১২৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ম বর্ষে (সম্মান) ভর্তির অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া ৩১ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে শুরু হয়েছে।

আগামী ২৬ আগস্ট (রোববার) রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন প্রক্রিয়া চলবে। ২৮ আগস্ট পর্যন্ত সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি দেওয়া যাবে।

এবছর ২০টি আসন বাড়িয়ে মোট ৭ হাজার ১২৮টি আসন সংখ্যার বিপরীতে পাঁচটি ইউনিটের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা হবে।

আগ্রহী শিক্ষার্থীরা  http://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে এই ফরম পূরণ করতে পারবে। যারা ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৮ সালের উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কেবল তারাই ভর্তি নির্দেশিকায় তুলে ধরা শর্তপূরণ করা সাপেক্ষে বিভিন্ন ইউনিটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশাসনিক ভবনস্থ কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া উদ্বোধন করেন।

ভর্তি কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর, মোবাইল বা টেলিযোগাযোগ করা যায়—এমন যন্ত্র সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। জালিয়াতি ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে।

পরীক্ষা চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ, সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান, অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রশীদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, গ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১২ অক্টোবর শুক্রবার এবং চ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৫ সেপ্টেম্বর শনিবার (সাধারণ জ্ঞান) এবং ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার(অঙ্কন) অনুষ্ঠিত হবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে ক ইউনিটের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে মোট জিপিএ(৪র্থ বিষয়সহ)৮.০০, খ ইউনিটে মোট জিপিএ ৭.০০, গ ইউনিটে মোট জিপিএ ৭.৫০ নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য মোট জিপিএ ৮.০০, মানবিক বিভাগের জন্য ৭.০০ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য ৭.৫০ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক, গ এবং ঘ ইউনিটের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ এবং খ ইউনিটের ক্ষেত্রে পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে। চ ইউনিটে আবেদনের জন্য মোট জিপিএ ৬.৫০ থাকতে হবে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।

ক, খ, গ এবং ঘ ইউনিটে মোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে ছাত্র/ছাত্রীদের মেধা তালিকা তৈরি করা হবে। যার মধ্যে ৮০ নম্বর মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল থেকে যোগ করা হবে এবং বাকি ১২০ নম্বরের পরীক্ষা এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।

ক ইউনিটে পদার্থ, রসায়ন, গণিত/জীববিজ্ঞান, চতুর্থ বিষয়/বাংলা/ইংরেজি এই চারটি বিষয় থেকে ৩০টি করে মোট ১২০টি এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে। পরীক্ষার সময় থাকবে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর হতে ০.২৫ কেটে নেওয়া হবে। প্রতি বিষয়ে ১২সহ মোট পাস নম্বর ৪৮।

খ ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি, সাধারন জ্ঞান হতে যথাক্রমে ২৫, ২৫ এবং ৫০টি প্রশ্ন থাকবে। যার প্রতিটির মান হবে ১.২। পরীক্ষার সময় থাকবে ১ ঘন্টা। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৩০ করে কেটে নেওয়া হবে। পাশ নম্বর ৪৮। তবে বাংলা, ইংরেজি এবং সাধারণ জ্ঞানে পৃথকভাবে যথাক্রমে ৮, ৮ এবং ১৭ নম্বর পেতে হবে।

গ ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ, মার্কেটিং/ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং থেকে ২০টি করে মোট ১০০টি প্রশ্ন থাকবে যার প্রতিটির মান ১.২০। পরীক্ষার সময় থাকবে ১ ঘন্টা। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত নম্বর হতে ০.২৪ কাটা যাবে। পাশ নম্বর ৪৮ এবং ইংরেজিতে ন্যূনতম ১০ নম্বর পেতে হবে।

ঘ ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি, সাধারন জ্ঞান হতে যথাক্রমে ২৫, ২৫ এবং ৫০টি প্রশ্ন থাকবে। যার প্রতিটির মান হবে ১.২। পরীক্ষার সময় থাকবে ১ ঘন্টা। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৩০ করে কেটে নেওয়া হবে। পাশ নম্বর ৪৮। তবে বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলী এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে পৃথকভাবে ৮ নম্বর পেতে হবে।

চ ইউনিটে প্রথমে সাধারণ জ্ঞানের ৫০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী প্রথম ১ হাজার ৫০০ জনকে দ্বিতীয়াংশের ৭০ নম্বরের অঙ্কন পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হবে।

সবগুলো ভর্তি পরীক্ষাই নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হবে। 

এছাড়া ভর্তি সংক্রান্ত অন্যান্য সকল বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট  http://admission.eis.du.ac.bd তে পাওয়া যাবে।

ডিইউএমসিজেনিউজ/আগস্ট ০১